• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২২ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনাম :
নেত্রকোনায় ৭৫০ ভারতীয় কম্বলসহ দুইজন গ্রেপ্তার কলমাকান্দায় সীমান্তে কৃষি পরিবেশ ও জলজপ্রাণী সংরক্ষণে মতবিনিময় দুর্গাপুরে ব্লাড ব্যাংক স্থাপন আজ লাখো মানুষের প্রাণের দাবী ৬ দফা দাবিতে কলমাকান্দায় শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের ইউএনও কার্যালয় ঘেরাও এন. আকন্দ কামিল মাদ্রাসায় ক্লাব উদ্বোধন ও বৃক্ষরোপণ করলেন জেলা প্রশাসক নেত্রকোনার উকিলপাড়ায় বসতঘরে অভিযান: ২ নারীর ৩ মাসের সাজা কেন্দুয়ায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ‘করবো কাজ, গড়বো দেশ’: বিপুল উৎসাহে নেত্রকোনায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ​মোহনগঞ্জে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত: মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি লুৎফুজ্জামান বাবরের কলমাকান্দায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি, বৃক্ষরোপণ ও দোয়ার মধ্য দিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

ডায়াবেটিস থাকলে কীভাবে নিরাপদে রোজা রাখবেন

ডেস্ক রিপোর্ট: / ৪৯২ ভিজিটর :
সংস্করণ : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬

রমজান মাসে রোজা রাখা মুসলমানদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। তবে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে রোজা রাখার আগে বিশেষ প্রস্তুতি ও সতর্কতা জরুরি। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, সঠিক খাদ্যাভ্যাস, ওষুধের সময়সূচি সমন্বয় এবং নিয়মিত রক্তে শর্করা পরীক্ষা করলে অধিকাংশ রোগীই নিরাপদে রোজা পালন করতে পারেন। তবে ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

সেহরিতে করণীয়
সেহরি যতটা সম্ভব শেষ সময়ের কাছাকাছি খাওয়া ভালো। এতে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার ফলে রক্তে শর্করা হঠাৎ কমে যাওয়ার আশঙ্কা কমে।

সুষম ও ধীরে হজম হয় এমন খাবার নির্বাচন
লাল চালের ভাত, লাল আটার রুটি বা ওটসের মতো জটিল শর্করা বেছে নেওয়া উচিত। সঙ্গে মাছ, চর্বিহীন মাংস, ডাল, ডিম ও প্রচুর শাকসবজি রাখা ভালো। এক গ্লাস দুধও উপকারী হতে পারে। অতিরিক্ত লবণ ও চিনি এড়িয়ে চলা উচিত।

ইফতার শুরু:

সুন্নাহ অনুযায়ী একটি খেজুর ও পানি দিয়ে ইফতার শুরু করা যেতে পারে। তবে কিডনি জটিলতা থাকলে খেজুর খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

ভাজাপোড়া ও মিষ্টি খাবার:

বেগুনি, চপ, পিয়াজু, জিলাপি বা অতিরিক্ত মিষ্টিজাত খাবার রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়িয়ে দিতে পারে। এর পরিবর্তে চিড়া, মুড়ি, টক দই, ফল বা ডাবের পানি গ্রহণ করা ভালো।

পর্যাপ্ত পানি পান:
ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি, যাতে পানিশূন্যতা না হয়।

নিয়মিত রক্তে শর্করা পরীক্ষা:
রোজা অবস্থায় রক্তে শর্করা মাপা রোজা ভঙ্গ করে না। দিনে একাধিকবার সুগার পরীক্ষা করা নিরাপদ। মাত্রা অস্বাভাবিক কম (৭০ mg/dL-এর নিচে) বা বেশি (৩০০ mg/dL-এর ওপরে) হলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

ডাক্তারের পরামর্শ:
রমজান শুরুর আগে ইনসুলিন বা ওষুধের ডোজ ও সময় পরিবর্তন প্রয়োজন হতে পারে। সাধারণভাবে সকালের ওষুধ ইফতারে এবং রাতের ওষুধ সেহরিতে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়, তবে এটি ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে।

শারীরিক পরিশ্রম:

তারাবিহ নামাজ আদায় করলে হালকা শারীরিক ব্যায়াম সম্পন্ন হয়। তবে রোজা রেখে অতিরিক্ত কায়িক পরিশ্রম ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। মাথা ঘোরা, অতিরিক্ত দুর্বলতা, ঘাম, কাঁপুনি বা অস্বাভাবিক ক্লান্তি অনুভব করলে দেরি না করে রোজা ভেঙে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

Archive Calendar

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০